Cookies Consent

This website uses cookies to ensure you get the best experience on our website.

Learn More

নবম দশম-জীববিজ্ঞান

2 min read
প্রিয় শিক্ষার্থী, আজ জীববিজ্ঞানের অধ্যায়-৫ থেকে একটি সৃজনশীল পদ্ধতির নমুনা প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো।
অধ্যায়-৫
খাদ্য উপাদান খাদ্য উপাদান
ক্ষুদ্রান্ত্র ( রক্ত ও লসিকা ( কোষ
M N P
ক. পরিপাক কাকে বলে?
খ. গ্যাস্ট্রিক আলসার বলতে কী বোঝায়?
গ. M থেকে P-তে খাদ্য উপাদান কীভাবে পরিবাহিত হয়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দেহ গঠনে ছকে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর-ক
যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় জটিল, অদ্রবণীয় খাদ্যবস্তু নির্দিষ্ট এনজাইমের সাহায্যে গ্রহণ উপযোগী অবস্থায় দ্রবণীয়, সরল ও তরল খাদ্যসারে পরিণত হয় তাকে পরিপাক বলে।
উত্তর-খ
পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষত বা প্রদাহ সৃষ্টি হলে গ্যাস্ট্রিক আলসার হয়। দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয় ও প্রদাহ হয়। ফলে পেটব্যথা ও নানা উপসর্গ দেখা দেয়, যা গ্যাস্ট্রিক আলসার নামে পরিচিত।
উত্তর-গ
M অংশটি ক্ষুদ্রান্ত্র। ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাককৃত সরল খাদ্যের শোষণ ঘটে। ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্ত্র প্রাচীরে রক্তজালক সমৃদ্ধ আঙুলের মতো প্রক্ষেপিত ভিলাই থাকে।
প্রতিটি ভিলাইয়ের মধ্যে ল্যাকটিয়াল নামক লসিকা জালক রক্তের কৈশিক নালিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। ভিলাইয়ের ভাঁজে ভাঁজে থাকায় ইলিয়ামের প্রাচীর গাত্রের আয়তন বৃদ্ধি পায় এবং ব্যাপকভাবে পরিপাককৃত খাদ্য শোষিত হয়ে রক্তনালিতে পৌঁছায়। এসব রক্তনালি যুক্ত হয়ে হেপাটিক শিরা গঠন করে। এই শিরা দিয়ে শোষিত রক্ত যকৃতে আসে। পরবর্তী সময়ে তা বিশ্লিষ্ট হয়ে পুনরায় রক্তনালির মাধ্যমে দেহ কোষের সান্নিধ্যে আসে।
রক্ত থেকে খাদ্য উপাদান সংগ্রহ করে লসিকা এবং তার কোষে (P) পৌঁছে দেয়। এভাবেই পরিপাককৃত খাদ্য উপাদান ক্ষুদ্রান্ত্র (M) থেকে রক্ত ও লসিকার (N) মাধ্যমে দেহের সব কোষে (P) পরিবাহিত হয়।
উত্তর-ঘ
দেহ গঠনের মাধ্যমে দেহের বৃদ্ধি সাধনে ছকে উল্লিখিত শোষণ, পরিবহন ও আত্তীকরণ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে পরিপাককৃত সরল খাদ্য উপাদান কোষে পরিবাহিত হয়। কোষের প্রোটোপ্লাজম নিঃসৃত এনজাইমের সাহায্যে সরল খাদ্য জটিল উপাদানে পরিণত হয়। যেমন অ্যামাইনো অ্যাসিড, গ্লুকোজ, ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল রক্তের সাহায্যে দেহের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এসব স্থানের প্রোটোপ্লাজম নিঃসৃত এনজাইমের সাহায্যে আমিষ, স্নেহ ও শর্করা তৈরি হয়। ফলে প্রোটোপ্লাজম কোষের ক্ষয় পূরণ ও গঠনে সহায়তা করে। ফলে দেহের বৃদ্ধি ঘটে।
ক্ষুদ্রান্ত্রের (M) মাধ্যমে শোষিত সরল খাদ্য উপাদান রক্ত ও লসিকার (N) সাহায্যে দেহকোষে (P) পৌঁছে যায়।
সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে দেহ গঠনে উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
প্রভাষক
রূপনগর মডেল স্কুল ও কলেজ, ঢাকা
Labels : #SSC-Biologi ,

Post a Comment